কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. মোখলেসুর রহমান (৫০) নামের এক কলেজ শিক্ষককে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মিজান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজ থেকে ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নওদা আজমপুর মোড়ে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মিজান ও তার সঙ্গীরা ওই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত মোখলেসুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে এবং আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। বর্তমানে তাকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে অভিযুক্ত মিজানের সঙ্গে শিক্ষক মোখলেসুরের বিরোধ চলছিল। এদিন দুপুরে হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।
হাসপাতালে মোখলেসুর জানান, বিতর্কিত জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি অভিযুক্ত মিজান তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম শহীদ জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শিক্ষককে মারধরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উভয়পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


