হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৬

হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৬
হামে আক্রান্ত শিশু। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
Advertisement
Advertisement

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭২২ জন। একই সময়ে সন্দেহজনক হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ২৬ জন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ মৃত্যু ও আক্রান্ত রেকর্ড করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৭৯ জন এবং হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ২৩৪ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৮০৮ জন। এ সময়ে মোট ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৪২ জন ছাড় পেয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামজনিত দুই মৃত্যুর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে একজন এবং অন্যজনের বিভাগীয় তথ্য বিজ্ঞপ্তিতে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১০২।

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায় ৪৯১ জন। এরপর চট্টগ্রামে ২৭৮, সিলেটে ১৫৮, বরিশালে ১২৪, খুলনায় ১০০, ময়মনসিংহে ৭৪, রংপুরে ৪৪ এবং রাজশাহীতে ২৭ জন শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর মধ্যে ঢাকায় ৪৬ জন, সিলেটে আটজন এবং রংপুরে ছয়জন রয়েছেন। এ সময়ে ঢাকায় ৩৮৩ জন, চট্টগ্রামে ২৭৮ জন, সিলেটে ১৫০ জন, বরিশালে ১২৪ জন, খুলনায় ১০০ জন, ময়মনসিংহে ৬৯ জন, রংপুরে ৪৮ জন এবং রাজশাহীতে ২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ২৪০ জন। এরপর চট্টগ্রামে ৩৯ হাজার ৫৫৪, বরিশালে ২১ হাজার ৪৪০, সিলেটে ১৬ হাজার ৩৪৮, খুলনায় ১৩ হাজার ৭৮, রাজশাহীতে ১০ হাজার ৭০৯, ময়মনসিংহে ৯ হাজার ৮৫৫ এবং রংপুরে ৩ হাজার ৪৯৮ জন।

এদিকে, জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬-এর আওতায় সারা দেশে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। এর বিপরীতে এ পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৪৬ হাজার ২৫৩ জনকে। এতে টিকাদানের কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ৯ শতাংশ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad