হাতিকে কাজে লাগিয়ে অভয়ারণ্য তৈরি ও পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটানো গেলে মানুষ-হাতি সংঘাত অনেকটাই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
শনিবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি), গণমাধ্যমকর্মী ও হাতি সংরক্ষণ কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে থাকা ইকোপার্কগুলোর পাশাপাশি আরও নতুন পার্ক করা যায় কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। যাতে পর্যটনের মাধ্যমে দেশজ উৎপাদন ও আয় বাড়ে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভীষণ আন্তরিক। ফলে আমাদের কাজ সহজ হয়েছে। এজন্য উনাকে ধন্যবাদ জানাই।’
পরিবেশমন্ত্রী জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হাতি চলাচলের ছয়টি করিডোর চালুর বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে এ নিয়ে বৈঠক হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী ও বন সংরক্ষক ছানাউল্যা পাটোয়ারী।
সভা শেষে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ৩২টি ইআরটি টিমের হাতে আলোক মশাল ও হাতি তাড়ানোর নানা সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। এর আগে মন্ত্রী গারো পাহাড়ে হাতি চলাচলের করিডোর ঘুরে দেখেন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় মতবিনিময় সভা শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেন।


