ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক।
উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার ও বকুল গ্রুপের লোকজনের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দফায় দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রোববার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষের লোকজন। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনাম ও বকুল গ্রুপের রুবেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে প্রথমে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। এ সময় উভয় পক্ষের ঘর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ ঘটনার জেরে রোববার সকাল সাতটা থেকে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। সকাল দশটা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ভর্তি করা হয়েছে ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজয়নগর থানা পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এ সময় স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


