জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্য পরিবহন খাতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইম মুভারের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব পণ্য পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর পড়বে বলে মনে করছে বাংলাদেশ কভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার দুপুরে সংগঠনটির মহাসচিব চৌধুরী জাফর আহমদ এক বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইম মুভারের পরিচালন ব্যয়ের বড় একটি অংশ জ্বালানি তেলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়বে। এতে উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে শেষ পর্যন্ত এর চাপ সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়তে পারে।
পরিবহন মালিকদের আশঙ্কা, পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয়সহ বিভিন্ন পণ্যের দামও বাড়তে পারে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের মূল্য পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি পরিবহন মালিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে যৌক্তিক পরিবহন ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে পরিবহন খাতের ওপর বিদ্যমান কর, ফি ও অন্যান্য ব্যয়ের বোঝা কমানোরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের সময় শুধু জ্বালানি খাতের হিসাব বিবেচনা করলে হবে না। এর সঙ্গে পণ্য পরিবহন, শিল্প-বাণিজ্য, বাজারমূল্য এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর সামগ্রিক প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে।
দেশের অর্থনীতি ও জনস্বার্থে পণ্য পরিবহনব্যবস্থা সচল ও স্থিতিশীল রাখতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা জানিয়েছে বাংলাদেশ কভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন।


