রাজধানীতে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণের মতো নাশকতামূলক ঘটনা রুখতে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নিষিদ্ধ সংগঠন এবং ভাড়াটে চক্রের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।
সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অপরাধীরা নতুন নতুন কৌশলে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ পিছিয়ে নেই; প্রতিটি ঘটনা তদন্তের পাশাপাশি জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মেগাসিটি ঢাকায় পুলিশের কাজের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। নিয়মিত রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও আন্দোলনের ওপর নজরদারির পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর তৎপরতাও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর সমর্থকদের পাশাপাশি একটি অংশ টাকার বিনিময়ে এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।’
তদন্ত ও অভিযানের চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও জানান, অপরাধের ধরণ বুঝে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঘটনা ঘটার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন জানান, পুলিশের কোনো গাফিলতি বা দুর্বলতা নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র ছাড় দিচ্ছে না।


