ঝুঁকিতে শহরমুখী জলবায়ু বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী

ঝুঁকিতে শহরমুখী জলবায়ু বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী
বুধবার রাজধানীর ডিআরইউতে ‘জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিবাসন ও নগর জীবনের বাস্তবতা’ শীর্ষক জাতীয় পরামর্শমূলক সভা। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

সরকারি নীতিমালার অপর্যাপ্ততা ও সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। একই সঙ্গে শহরমুখী জলবায়ু বাস্তুচ্যুত এসব মানুষ নানা ঝুঁকিতে রয়েছেন।

বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিবাসন ও নগর জীবনের বাস্তবতা’ শীর্ষক একটি জাতীয় পরামর্শমূলক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

ইন্টারন্যাশনাল ডিসপ্লেসমেন্ট মনিটরিং সেন্টার (আইডিএমসি) এর এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে আসে।

পরামর্শ সভায় লিখিত বক্তব্যে কারিতাস বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আলেক্সজান্ডার ত্রিপুরা বলেন, আইডিএমসির পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ২০০৮-২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশে ৪৭ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময় সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, ‘গণমাধ্যম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধুমাত্র তথ্য সরবরাহ নয়, বরং নীতিনির্ধারকদের নজর আকর্ষণ করাও জরুরি, যাতে বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য ন্যায্য ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া, সরকারের উচিত দুর্যোগে মোকাবেলায় প্রাক কর্মসূচি গ্রহণ করা।’

আরও পড়ুন

ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ‘শহরে অভিবাসন সম্পর্কে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকেরই উচিত নজর দেয়া দুর্যোগ প্রাক উন্নয়ন ও পানি উন্নয়ন তাদের কাজ ঠিকভাবে করছে কি না। আমাদের দেশে জলবায়ু ও জলবায়ুজনিত অভিবাসনসহ সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলোর জন্য বার্ষিক বাজেটে অর্থ বরাদ্দ থাকলেও দিনশেষে কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না।’

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের মানুষ তাদের বসতভিটা ছেড়ে রাজধানী ঢাকা নগরে আশ্রয় নিচ্ছে। এই অভ্যন্তরীণ অভিবাসনের ফলে ঢাকা শহরে জনসংখ্যার চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে নগর ব্যবস্থাপনা, বাসস্থান, কর্মসংস্থান ও পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে বলেও এ সভায় বলা হয়।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা জলবায়ু অভিবাসনের নানা দিক নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে কী ধরনের তথ্য, উৎস ও দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা উচিত তা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

পরামর্শ সভায় রফিকুল ইসলাম আজাদসহ (ডিআরইউ সাবেক সভাপতি) আরো অনেকে বক্তব্য দেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad