গ্যাস সংকটের অজুহাতে ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্ট রুটে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি ও হঠাৎ যান চলাচল বন্ধ করার প্রতিবাদে জিরো পয়েন্টের মূল ফটকে তালা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার পর এ কর্মসূচি শুরু করা হয়। এ সময় চক্রাকারে বাস চালুর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বাস চলাচলও আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এদিন সকাল থেকে পূর্বঘোষণা ছাড়া ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্টগামী সিএনজির ভাড়া বাড়িয়ে দেন চালকরা। শিক্ষার্থীরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব দিলেও তা মানা হয়নি। পরে সন্ধ্যা থেকে সিএনজি চালকরা একযোগে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিলে ১ নম্বর গেটে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আটকে পড়েন।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া বলেন, ‘সিএনজি চালকরা সিন্ডিকেট তৈরি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে রেখেছে। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নিতে উপাচার্য, উপউপাচার্য ও প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভাড়া বৃদ্ধি ও যানবাহন বন্ধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করার এই সিন্ডিকেট ভেঙে সিএনজি চলাচল স্বাভাবিক করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য কার্যকর বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা করতে হবে। এই দাবি আদায় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে অবরোধ চলমান থাকবে।’
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন জানান, সিএনজি চালকরা হঠাৎ করে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ না করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মূল ফটক আটকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপার্যের (প্রশাসন) নির্দেশে আপাতত দুটি বাস দেওয়া হয়েছে, যেগুলো রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। মঙ্গলবার সিএনজি চালকদের সঙ্গে বসে স্থায়ী সমাধান করা হবে।


