নতুন অর্থবছর থেকে দামি গাড়ি ব্যবহারের খরচ আরও বাড়তে পারে। ২ হাজার ৫০০ সিসির বেশি ক্ষমতার গাড়ির ক্ষেত্রে মালিকদের অগ্রিম আয়কর ৫০ হাজার টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হচ্ছে বাজেটে।
গাড়ির ধরন ও ইঞ্জিনের ক্ষমতার ভিত্তিতে মালিকদের প্রতি বছর অগ্রিম কর দিতে হয়। বাজেটে কর বৃদ্ধির প্রস্তাব এলে তা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়। কর কমানোর প্রস্তাব হলে বাজেট পাসের পর কার্যকর হয়।
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন।
আগামী অর্থবছরেও ১ হাজার ৫০০ সিসির নিচের প্রাইভেট কার ও জিপের অগ্রিম কর ২৫ হাজার টাকা বহাল থাকছে। ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার সিসির গাড়ির জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ সিসির কম ক্ষমতার গাড়ির জন্য ৭৫ হাজার টাকা অগ্রিম কর অপরিবর্তিত থাকছে।
তবে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার সিসির কম ক্ষমতার গাড়ির অগ্রিম কর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।
৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ সিসির গাড়ির অগ্রিম কর ২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
৩ হাজার ৫০০ সিসির বেশি এবং ৪ হাজার ৫০০ সিসি পর্যন্ত ক্ষমতার গাড়ির অগ্রিম কর সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।
৪ হাজার ৫০০ সিসির বেশি ক্ষমতার ইঞ্জিনের গাড়ির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৫ লাখ টাকা অগ্রিম কর নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।
নতুন বাজেটে মাইক্রোবাস ও ডাবল কেবিন পিকআপের জন্য প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম কর দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আবদুল হক টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বেশি ক্ষমতার ইঞ্জিনের গাড়িতে জ্বালানি বেশি খরচ হয়।
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বেশি জ্বালানি খরচ হয় এমন গাড়িকে নিরুৎসাহিত করছে।’
তিনি বলেন, গাড়ির মালিকরা প্রতি বছর ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের ফি জমা দেওয়ার সময় এ কর পরিশোধ করেন। ব্যাংকে টাকা জমা দিলে কর পরিশোধের রসিদ দেওয়া হয়।


