আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের মোট আকার নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। দ্রুততর প্রবৃদ্ধি, উন্নত সামাজিক সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক রূপান্তরের রূপরেখা হিসেবে এবাবের বাজেট উপস্থাপন করছে নতুন বিএনপি সরকার।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে পরিচালন ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।
একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ের অংশ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয়ের ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ পরিচালন খাতে ব্যয় হলেও আগামী অর্থবছরে তা কমিয়ে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই বাজেট প্রস্তাব পাস হবে ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংক্রান্ত বিলে অনুমোদন সূচক সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।


