ওমেরার প্রতিবাদ ও আমাদের বক্তব্য

ওমেরার প্রতিবাদ ও আমাদের বক্তব্য
Advertisement
Advertisement

গত ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এ ‘পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি মজুতের বিষয়ে এনএসআইয়ের সতর্কতা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর জবাবে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড শনিবার একটি প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে। নিচে তা হুবহু প্রকাশ করা হলো:

‘কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসৎ উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার জন্য এলপিজি কার্গো বা মজুত আটকে রাখা হয়েছে–এমন অভিযোগ ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড স্পষ্ট ভাষায় অস্বীকার করছে।

সরবরাহে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ওমেরা সবসময় গ্রাহকদের কাছে নিরবচ্ছিন্নভাবে এলপিজি পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোম্পানির মালামালের হিসাব, কার্গো গ্রহণ ও সরবরাহের সমস্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ওমেরা কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, এনএসআইয়ের কোনো প্রতিবেদনে ওমেরা’র নাম জড়িয়ে এমন কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তাই ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন এই তথাকথিত প্রতিবেদনের নথিপত্র ও সত্যতা, বিশেষ করে ওমেরা’র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেয়।

এই প্রতিবাদ পাঠানোর আগে ওমেরা সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের কাছে এনএসআইয়ের সেই রিপোর্টের নথিপত্র ও তথ্যসূত্র জানতে চেয়েছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেলেও ওমেরা’র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রাথমিক প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন

যদিও প্রকাশিত সংবাদের মধ্যে ওমেরা’র বক্তব্য ছিল এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি বলেও স্বীকার করা হয়েছিল, তবুও এমন ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করায় কোম্পানির নিরাপত্তা, সুনাম ও ব্যবসার ওপর বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে।

আমরা অনুরোধ করছি, ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’ যেন এই প্রতিবাদলিপিটি দ্রুত ও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে। যদি অভিযোগের প্রমাণ দেওয়া না যায়, তবে পত্রিকা ও অনলাইন ভার্সনে অবিলম্বে এটি সংশোধন বা স্পষ্টীকরণ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

প্রকাশিত সংবাদ ও তার ফলাফলের বিষয়ে ওমেরা’র সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ বহাল রেখেই এই প্রতিবাদ জানানো হলো। এই প্রতিবাদলিপি পাঠানোর মানে এই নয় যে, ওমেরা তার আইনি অধিকার থেকে সরে এসেছে।’

আমাদের বক্তব্য

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে জমা দেওয়া এনএসআইয়ের একটি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই টাইমসের প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছিল। মন্ত্রী নিজেও এনএসআইয়ের রিপোর্ট পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, এটি নিয়ে কাজ চলছে। একটি স্বাধীন সংবাদপত্র হিসেবে ওমেরার দাবি অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নথিপত্র প্রকাশ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

আমরা আমাদের প্রতিবেদনের তথ্যে অটল আছি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad