আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। তবে দেশে এখনো ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকের দাম বাড়ানো হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানির দাম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার বিকালে যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে। সৌদি আরব, দুবাই, কাতার ও আমেরিকায় তেলের দাম অনেক বেশি। বিশ্ববাজার স্বাভাবিক হলে জনগণের স্বস্তির জন্য দাম কমিয়ে আনা হবে।’
কৃষকের সেচ খরচ ও উৎপাদন ব্যয় কমাতে সেচ পাম্পগুলো পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, হৈবতপুর ও লেবুতলা ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে যশোর সদর উপজেলার অধিকাংশ সেচ পাম্প সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
সমাবেশে চূড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু সাঈদ, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশবিরোধী চক্রান্ত ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে একই সময়ে যশোর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
চিত্রা মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে দড়াটানা হয়ে বিমান অফিস মোড়ে শেষ হয়। পরে সেখানে পথসভা হয়।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে তিন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।


