ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিভিন্ন আসনে পরাজিত আরও পাঁচ প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির চারজন এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) একজন প্রার্থী রয়েছেন।
সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এসব আবেদনের ওপরে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আবেদন গ্রহণ করে আদালত এসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়।
জানা গেছে, নতুন করে মামলা করা বিএনপির চার প্রার্থী হলেন কুমিল্লা-১১ আসনের মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনের মো. হারুনুর রশীদ এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এম আকবর আলী।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন।
নির্বাচনের পরে বিভিন্ন আসনে পরাজিত বেশ কয়েকজন প্রার্থী অনিয়মের অভিযোগ এনে এরই মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওই সব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট জারির ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। সেই অনুযায়ী বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে এখতিয়ার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক নির্বাচনী আবেদনপত্র; যে সব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।


