দীর্ঘদিন ধরে আরোপিত নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (রেগুলিটরি ডিউটি) কমানোর মাধ্যমে আমদানি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২০টিরও বেশি পণ্যের ওপর আরোপিত তিন শতাংশ আরডি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
যেসব পণ্যের ওপর থেকে আরডি তুলে নেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে সব ধরনের খেজুর, মসলা, জীবন্ত হাঁস-মুরগি, উটপাখি ও ইমু, বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ, ঝিনুকজাতীয় খাদ্য, কার্বন ইলেকট্রোড, ফটোগ্রাফিক কাগজ, সিনেমাটোগ্রাফিক ফিল্ম, ড্রোন, ইয়ট, বাদ্যযন্ত্র, শিল্পকর্ম, কফিন এবং বৈদ্যুতিক বাতির বিভিন্ন উপকরণ।
একই সঙ্গে কিছু মোটরযানের সিকেডি (কমপ্লিটলি নকড ডাউন) আমদানির ওপর আরোপিত ৩০ শতাংশ আরডি কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সাধারণত আমদানি নিরুৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এসব অতিরিক্ত শুল্ক কমানোর পথে এগোচ্ছে।


