মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা বিওপির কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে পুশইন করা ওই ১০ জনকে একই দিন রাতে অন্য সীমান্ত দিয়ে ভারতে পুশব্যাক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত এলাকায় ১০ জনকে দেখে তারা বিষয়টি ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ লাঠিটিলা বিওপিতে জানান। বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে একটি বাড়িতে রাখেন। পরে শুক্রবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের একাধিক ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে নারীদের কান্নাকাটি ও ছেড়ে দেওয়ার আকুতি জানাতে দেখা যায়।
পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের দাবি, তারা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে জীবিকার সন্ধানে ভারতের গুজরাটে গিয়েছিলেন। পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে বাংলাদেশ সীমান্তে এনে পুশইন করে।
ভুক্তভোগীরা হলেন রিয়াদুল মোল্লা (৫৫), সাব্বির শেখ (১৯), ফরিদা বেগম (৪০), লাবিবা খাতুন (৮), সুবা (৩২), দিলরুবা (৩৮), রিতা বেগম (৪০), রিয়া বেগম (২৫), লাইলি খাতুন (২৮) ও সালমা খাতুন (২৭)।
বিজিবির ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুশইন হওয়া ১০ জনকে আটক করে বিজিবি। পরে রাতে অন্য একটি সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশব্যাক করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্তে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। স্থানীয় কিছু মানুষ পুশইনের বিষয়ে বিএসএফকে সহযোগিতা করছে। এমন গোয়েন্দা তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।’


