অর্থপাচার মামলার আসামি এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে নাম আসা সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর পাসপোর্ট স্থগিতের আদেশ দিয়েছে আদালত।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সিআইডির পরিদর্শক সোহেল রানা এদিন বাপ্পীর পাসপোর্ট স্থগিতের আবেদন করেন। এতে বলা হয়, অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন, দলিল-দস্তাবেজ জাল, প্রতারণা, জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা অর্থপাচারের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ঢাকার পল্লবী থানায় গত ৫ মার্চ একটি মামলা করা হয়। মামলায় বাপ্পীকে আসামি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি যেকোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পাসপোর্ট স্থগিত করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তফা সারোয়ার মুরাদ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন হাদি। কয়েক দিন পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এই হত্যা মামলার তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়।
তবে, মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের নারাজি আবেদনের পর আদালত সিআইডিকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন।


