রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ১২ দফা প্রস্তাব দিয়েছে ছাত্রদল ও রাকসু ফর রেডিক্যাল চেঞ্জ প্যানেল। শনিবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাবগুলো জানান তারা।
দুটি প্যানেলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ছাত্রশিবির নিয়ম ভেঙে হলে হলে শিক্ষার্থীদের আতর, খাবারসহ নানা উপঢৌকন দিচ্ছে। এমনকি, ব্যালট নম্বর প্রদানেও বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বক্তারা এটিকে আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতার ঘাটতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারা বলেন, প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন যেন কোনোভাবেই কলঙ্কিত না হয়। তারা দাবি করেন, অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক একটি রাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় ছাত্রদল, রাকসু ফর রেডিক্যাল চেঞ্জ এবং সমন্বিত প্যানেলগুলো ১২ দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে–স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার এবং ভোট শুরুর আগে সাংবাদিক ও এজেন্টদের উপস্থিতিতে তা উন্মুক্ত করা। ভোটারদের আঙুলে অমোচনীয় কালি ব্যবহার। এক দিনের মধ্যে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রকাশ। ম্যানুয়াল ভোট গণনা। নির্বাচনী খরচ ও পোস্টারের সংখ্যা নির্দিষ্টকরণ। ব্যালট ছাপানো ও বাঁধাই পর্যন্ত এজেন্টদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। পর্যাপ্ত বুথের ব্যবস্থা। ডিজিটাল বোর্ডে ভোটার নম্বর প্রকাশ। সাইবার বুলিং প্রতিরোধে কার্যকর সেল গঠন। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিভ্রান্তিকর পেজ-গ্রুপ বন্ধ করা। ভোটের দিন ভোটার তালিকা হাতে ধরিয়ে না দেওয়া।
এ ছাড়া, তারা নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।


