জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার ভোরে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
দুই বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন এক বৃদ্ধ ।
সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীর দাবি, ভোরে বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুরের রামরামপুর সীমান্তে ১০৮২ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে বিএসএফ সাতজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে সীমান্তের আলো নিভিয়ে এ চেষ্টা চালানো হয়।
বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির কামালপুর ক্যাম্পের সদস্য এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরা দ্রুত সেখানে অবস্থান নেন এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিরোধ করেন। এ সময় সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কাউকে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অবস্থান জানালে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে প্রতিরোধের মুখে ছয়জন ব্যক্তি ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে সক্ষম হলেও একজন বৃদ্ধ শূন্য রেখায় আটকে পড়েন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোনো সমাধান হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফ ওই বৃদ্ধকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে তিনি এখনো সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে জামালপুরের ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘একজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা তাকে ফেরত পাঠিয়েছি। লোকটি এখনো শূন্য রেখায় রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’


