সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের হামলায় বিএনপির ১৫ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার শান্তিগঞ্জ থানায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও রাষ্ট্রপক্ষের সাবেক কৌঁসুলি (পিপি) রইস উদ্দিনের ভাতিজা সুজন মিয়াকে। এজাহারটি জমা দিয়েছেন মো. মহিদুজ্জামান।
বাদী মহিদুজ্জামানের অভিযোগ, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের পক্ষে কাজ করা কয়েকজন ব্যক্তি পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপি নেতা মো. কয়সর আহমেদের নির্বাচনী কর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীদের অনেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
বাদীর দাবি অনুযায়ী, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে শান্তিগঞ্জে তার বাড়ির সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১৫ জন আহত হন এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মো. মহিদুজ্জামান বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। হামলার সময় তারা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে শান্তিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘হামলার ঘটনায় একটি এজাহার জমা পড়েছে। তবে এখনো মামলা রেকর্ড করা হয়নি। মামলা হলে পুলিশ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


