সীমান্তের ওপারের চাওয়া হলো দেশের মধ্যে বিভেদ: এবি পার্টি

সীমান্তের ওপারের চাওয়া হলো দেশের মধ্যে বিভেদ: এবি পার্টি
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের শেষ পর্যায়ের বৈঠকে পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

দেশের মানুষ শান্তি ও ঐকমত্য চায়, কিন্তু সীমান্তের ওপারের চাওয়া হলো বিভেদ, সংঘাত ও বিভক্তি বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

তিনি বলেন, ‘গণভোট আয়োজনের ব্যাপারে ঐকমত্য থাকলেও, গণভোট কী জাতীয় নির্বাচনের আগে হবে, নাকি একই দিনে দুটি নির্বাচন হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট দ্বিধা-বিভক্তি দেখা যাচ্ছে। ঐকমত্য কমিশন বা সরকারের উচিত হবে দুপক্ষের কথা শুনে গণভোট কবে হবে, তা নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া।‘

বুধবার বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের শেষ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি এই তিন দলের দিকে ইঙ্গিত করে মঞ্জু বলেন, ‘সরকার যে তিন দলকে নিজেদের অংশ মনে করে এবং সঙ্গে করে নিউইয়র্ক সফরে নিয়ে গেছেন, মনে হচ্ছে তাদের ইগো সমস্যাই এখন জাতীয় ঐক্যের অন্তরায়।’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সাংবাদিক মনির হায়দারের সঞ্চালনায় এবং কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এবি পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, হেলাল উদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। বৈঠকের বিরতিতে তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং ব্রিফিং করেন।

আরও পড়ুন

ব্রিফিংকালে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে? তা কি সংবিধান আদেশ, অধ্যাদেশ নাকি জুলাই সনদ আদেশ নামে জারি হবে, এটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অর্থাৎ, এখানেও পদ্ধতি বা শব্দ নিয়ে বিতর্ক!’

তিনি বলেন, ‘এ বিতর্ক দেখে মনে হচ্ছে পরোক্ষভাবে আমরা কেউ কেউ সীমান্তের ওপারের চাওয়াকেই প্রাধান্য দিচ্ছি।’

‘চূড়ান্তভাবে ঐকমত্য না হলে, সরকার বা ঐকমত্য কমিশনের উচিত হবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কোনো একটি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া,’ যোগ করেন তিনি।

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক নোট অব ডিসেন্ট প্রসঙ্গে বলেন, ‘জুলাই সনদের প্রত্যেকটি বিষয়ে যেহেতু সবগুলো রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি, গণভোটের রায়ের মাধ্যমে তা সুরাহা হওয়ার রাস্তা খুলে যাবে। কারণ, জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের ইতিবাচক রায়, অর্থাৎ গণভোট পাশ হলে যেসব রাজনৈতিক দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন, তা জনরায়ের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যাত বলে বিবেচিত হবে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর