স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের বিকাশে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সানড্যান্স ইনস্টিটিউট থেকে এক বছরের স্কলারশিপ পেয়েছেন বাংলাদেশি নির্মাতা গোলাম রাব্বানী। হলিউড অভিনেতা রবার্ট রেডফোর্ড প্রতিষ্ঠিত এই ইনস্টিটিউটের অধীনেই প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বখ্যাত সানড্যান্স ফিল্ম ফেস্টিভাল।
ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম) আয়োজিত দ্বিতীয় ফিল্ম ল্যাবে অংশগ্রহণকারী তিনজনকে এ স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে স্কলারশিপ পেয়েছেন সিংম্যাউ মার্মা এবং চিত্রনাট্য বিভাগে নির্বাচিত হয়েছেন জহিরুল ইসলাম কচি।
স্কলারশিপের আওতায় আগামী এক বছর গোলাম রাব্বানী সানড্যান্স কোল্যাবের আন্তর্জাতিক ফিল্ম প্রফেশনালদের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজের নতুন চলচ্চিত্র প্রকল্প ডেভেলপ করবেন। কোর্স শেষে তিনি সানড্যান্স ইনস্টিটিউটের স্বীকৃত সনদপত্র অর্জন করবেন।
এ বিষয়ে গোলাম রাব্বানী বলেন, “শিক্ষাকে আমি নলেজ শেয়ারিংয়ের জায়গা থেকে দেখি। নতুন কিছু শেখার আগ্রহে নিজেকে সব সময় শূন্য রাখার চেষ্টা করি। সিনেমা বিষয়ক এই স্কলারশিপ আমার চলচ্চিত্রযাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে বিশ্বাস করি। এ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমার ফিল্মস্কুল আইএএফএমের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
সিনেমা নির্মাণে এরই মধ্যে দেশ ও বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছেন গোলাম রাব্বানী। তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ছুরত’ ২২তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের স্পিরিচুয়াল চলচ্চিত্র বিভাগে স্পেশাল মেনশন সম্মাননা লাভ করে। এছাড়া তার পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আনটাং’ ভেনিস ইন্টারকালচার ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও বুদাপেস্ট চলচ্চিত্র উৎসবে অনারেবল মেনশন পুরস্কার অর্জন করে।
সর্বশেষ তার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘নিশি’ পরিবেশবান্ধব চলচ্চিত্রের জন্য গ্রিন অস্কার খ্যাত এমা অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চলচ্চিত্র এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জনের গৌরব অর্জন করল।


