সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফকে (৫৮) চার দিন রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
একই সঙ্গে তার ছেলে রাসেলকে (৩৫) তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-১ এর বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডল এ রিমান্ড দেন।
এর আগে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুর গ্রামের হুমায়ুন কবির ও তার ভাই হাবিবুর রহমান হবি হত্যার ঘটনায় বাবা ও ছেলেকে আলাদা দুটি মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন ও এসআই আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত।
এদিকে, আদালত থেকে হাজতে নেওয়ার পথে আব্দুল লতিফ ও তার ছেলের ওপর পচা ডিম নিক্ষেপসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
আদালত সূত্র জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে কুচপুকুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরকে কাশেমপুর বাইপাস সড়কে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক মহিদুল ইসলামকে প্রধান আসামী ও তৎকালীন সরকারি কৌশলী আব্দুল লতিফকে ৫ নং আসামিসহ মোট ছয়জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই আজগার আলী।
অপরদিকে, একই গ্রামের হাবিবুর রহমান হবি হত্যা মামলার ৩০ নং আসামি আব্দুল লতিফের ছেলে মো. রাসেল।
সাতক্ষীরা আদালতের অতিরিক্ত পিপি তোজাম্মেল হোসেন তোজাম জানান, আব্দুল লতিফ সরকারি পিপি হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, সেটা নজিরবিহীন। তাদের বাবা-ছেলেকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত পিপি তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, অতিরিক্ত পিপি এবিএম সেলিম প্রমুখ। আসামিপক্ষে ছিলেন শফিউল ইসলাম শফি।
এর আগে, গত ১২ ডিসেম্বর সকালে খুলনার বয়রা এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনী।


