সাতক্ষীরায় জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সাবেক এমপি ও বর্তমান মনোনীত এমপি প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে ৪৮ বিঘা ফসলি জমি ও মাছের ঘের জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশেন(ক্রাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা গাজী মো. হজরত আলী, মো. আব্দুল হাকিম , আতাহার আলি, আমিনুর রহমান , আবু বক্কার গাজী সহ মোট ১৫ জন। তাদের বাড়ি শ্যামনগর থানায়।
ভুক্তভোগীরা জানান, জামায়াতে ইসলামের এমপি মনোনীত প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম, তার চাচা সোহবান গাজী, শহিদ মোল্লা ও মনজুর হোসেনসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে তাদের ৪৮ বিঘা ফসলি জমি ও মৎস্য ঘের জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘নজরুল ইসলামের নির্দেশে তার স্বজন ও সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি, হুমকি, জোরপূর্বক দখল, মিথ্যা মামলা এবং খুন জখমের হুমকি দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আতঙ্কগ্রস্থ করে তুলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগকারিদের ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ফসলি জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।’
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের কেন্দ্রীয় নেতাদের জানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা আমীর ও উপজেলা আমীরের সমন্বয়ে জামায়াতের দলীয় আইনজীবি আজিজুর রহমান উভয় পক্ষের কাগজপত্র পরীক্ষা করে জমির মালিকানা বিষয়ে অভিযোগকারীদের পক্ষে মত দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওই জমি দখল না করার জন্যে গাজী নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
কিন্তু ওই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নজরুল ইসলাম আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজনকে দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু করেছে বলেও অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।


