চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে একজন জামায়াত কর্মী নিহতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে জড়িত বিএনপি কর্মীদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির নেতারা।
রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার জামায়াতের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে এই আলটিমেটাম দেন তারা। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক আইল্যান্ডে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
নিহতের নাম হাফিজুর রহমান (৪৫)। তিনি স্থানীয় জামায়াত কর্মী ও জীবননগরের সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
সমাবেশে জামায়াত নেতারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে জীবননগরে ‘আগুন জ্বলবে’ এবং ‘হত্যার বদলে হত্যা’ করা হবে।
বিক্ষোভ চলার সময় কর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। এতে প্রায় ১০ মিনিট শহরের যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান এবং উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় হাফিজুর রহমান নিহত হন। এ ঘটনায় দুই দলের আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার বেলা ৩টায় জীবননগরের সুটিয়া গ্রামে নিহতের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


