দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন নীতিমালায় নিয়মকানুন সহজ করা হয়েছে, যাতে বিদেশিরা এসে সহজে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, আগের ভিসা পলিসি করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। তবে গত ২০ বছরে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। আগের নীতিমালাটি করা হতো মূলত পারস্পরিক নীতির ভিত্তিতে।
‘এর উদ্দেশ্য বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থানকে সহজ ও সুশৃঙ্খল করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা,’ বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
তিনি জানান, নতুন ভিসা নীতি পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করবে এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য বাড়াতে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আগে হিসাব ছিল পারস্পরিক ভিত্তিতে। অর্থাৎ তোমার দেশের লোক আসলে আমি এতটুকু ভিসা দেব, এত দিনের ভিসা দেব। কিন্তু আমাদের কিছু জায়গায় এখন বেশি প্রয়োজন। একজন ব্যবসায়ী যদি আসেন, তবে সেটা আমাদের জন্যই সুবিধা। তিনি দেশে ইনভেস্ট করতে পারবেন।’
নাসিমুল গনি আরও বলেন, ‘কারণ সরকার চাচ্ছে একটা ইকোনমিক থ্রাস্ট (অর্থনৈতিক গতিশীলতা) আসুক। বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করা হচ্ছে, তার মধ্যে একটা অংশ হলো এই ভিসা পলিসিটা সহজ করা।’
তিনি জানান, নীতিটি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে, তবে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো দেখবে এবং পাশাপাশি পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের কোনো ইনপুট বা মতামত থাকলে তা দেবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


