নৌপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার রোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়েছে।
শনিবার শাহ সিমেন্ট সংলগ্ন নদী এলাকায় পরিচালিত অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত গম, ছোলা, ডাবরি ও সয়াবিন বহনকারী মোট ২৮টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়।
এ সময় ১০ দিনের বেশি সময় ধরে অপেক্ষমাণ একটি এবং ২০ দিনের বেশি সময় ধরে অপেক্ষমাণ তিনটি লাইটার জাহাজ শনাক্ত করা হয়। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, টাস্কফোর্সের অভিযানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পণ্যের এজেন্সি প্রতিনিধিরা আগেই অবগত থাকায় ঘাটগুলোতে পণ্য খালাস কার্যক্রমে গতি আসে। অভিযানের সময় জাহাজে থাকা পণ্যের কনসাইনি প্রতিষ্ঠান নাহার অ্যাগ্রো, নোয়াপাড়া ট্রেডার্স, শবনম ট্রেডিং, আবুল খায়ের, শেখ ব্রাদার্স, মদিনা গ্রুপ, এস এস ট্রেডিং ও আরমান ফিডের প্রতিনিধিদের দ্রুত পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পণ্য খালাস নিশ্চিত করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জানানো হয়। নির্ধারিত সময়সীমা অমান্য করলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্তও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
নৌপরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, নৌপথে শৃঙ্খলা রক্ষা ও পণ্য পরিবহনে গতি আনতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


