শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার
রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যাপক উদ্যোগ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের ট্রমা থেকে উত্তরণে নিবিড় তদারকি প্রয়োজন রয়েছে। ইউনেসকোর সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প তরুণ প্রজন্মকে জুলাই আন্দোলনের ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের প্রোগাম আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজন করা দরকার।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব বলেন উপদেষ্টা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার জন্য সমাজে পরিবর্তন এসেছে। গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও ট্রমা কাটিয়ে উঠতে ইউজিসির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প ‘গ্ৰহণের জন্য ইউনেস্কোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ বলেন, ‘তরুণদের নানা ধরনের ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে আসা এবং যুবকদের সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের চেয়ে এর বাস্তবায়ন বেশি চ্যালেঞ্জিং বলে উল্লেখ করেন সুজান ভাইজ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মো. সাইদুর রহমান, মাছুমা হাবিব, মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভিন এবং শিক্ষা মন্ত্র্রণলয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ইউনেসকোর সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা  প্রকল্প তরুণ প্রজন্মকে জুলাই আন্দোলনের ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের প্রোগাম আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজন ও টেকসই উদ্যোগ গ্ৰহণ করা দরকার বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় দেশের ২২টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া, ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad