শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ত্রিশ বছর

শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ত্রিশ বছর
শাহরিয়ার নাজিম জয়
Advertisement
Advertisement

শাহরিয়ার নাজিম জয় ১৯৯৭ সালে টেলিভিশনে অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। এর আগে তিনি থিয়েটারে সক্রিয় ছিলেন। সেখান থেকে অল্প সময়ের মধ্যেই ছোটপর্দায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। এমনও হয়েছে—একটি ঈদে তার অভিনীত ২০টির বেশি নাটক প্রচারিত হয়েছে।

১৯৯৮ সালে প্রথম বাংলাদেশি অভিনেতা হিসেবে লন্ডনে চিত্রায়িত একটি নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় অভিনয় করেন এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও নিজের উপস্থিতি দিয়ে আলাদা করে নজর কাড়েন। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক ও সিনেমা পরিচালনা করেছেন, আবার উপস্থাপনাতেও পেয়েছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। সব মিলিয়ে জয় তার ক্যারিয়ারের ত্রিশ বছর পূর্ণ করেছেন।

শাহরিয়ার নাজিম জয় বলেন, ‘টিভি নাটকে অভিনয়ের আগে আমি থিয়েটার করেছি। সব মিলিয়ে অভিনেতা হিসেবে আমার ক্যারিয়ার ত্রিশ বছরের। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি, কারণ এখনো আমাকে প্রধান চরিত্র প্রস্তাব করা হয়।’

ওটিটিতে ‘৭ নাম্বার ফ্লোর’, ‘৮৪০’, ‘জিম্মি’, ‘গুটি’, ‘পাপকাহিনি’—সবগুলোতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শকনন্দিত চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি জানান, শিগগিরই ‘পাপকাহিনি সিজন ২’-এর কাজ শুরু করবেন।

আরও পড়ুন

তার অভিনীত জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘খড়ের পুতুল’, ‘মুখোশ’, ‘বিলেতি বিলাস’, ‘লাল ঘুড়ি’, ‘পাতা ঝরে বৃক্ষ মরে না’, ‘প্রতিদিন একটি গোলাপ’, ‘যদিও সন্ধ্যা’, ‘সমুদ্র বিলাস’ ও ‘বিয়ের আংটি’। তিনি ফেরদৌস হাসান, সোহেল আরমান, সেলিম আল দীন, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, চয়নিকা চৌধুরী, অরুণ চৌধুরী, অরণ্য আনোয়ারসহ বহু খ্যাতিমান নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে তার অভিনীত নাটকের সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি।

সিনেমায় অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তিনি দর্শকের কাছে পৌঁছেছেন ‘গ্রামগঞ্জের পিরিতি’ ও ‘জীবনের গল্প’ দিয়ে। নির্মাতা হিসেবেও তিনি সফল—তার পরিচালিত সিনেমা ‘প্রার্থনা’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়া তিনি ‘অর্পিতা’ ও ‘প্রিয়কমলা’ সিনেমা দুটিও পরিচালনা করেছেন।

ত্রিশ বছরের ক্যারিয়ারের প্রাপ্তি প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘এত বছরে কেউ কখনো বলেনি যে, আমার অভিনয় তাদের বিরক্ত করেছে। আমার অভিনয় নিয়ে নেতিবাচক সমালোচনাও খুব একটা হয়নি। এই ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘যে কাজই করি, খুব সিরিয়াসভাবে প্রস্তুতি নিয়ে করি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে না চললে ছিটকে পড়তে হবে—এই চাপটা সব সময় মাথায় রাখি। ভুলভ্রান্তি মানুষের জীবনে থাকবেই, তবে সচেতন থাকার চেষ্টা করি। অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে, খারাপ সময় ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মোকাবিলা করতে পারলে সেটাই শক্তিতে রূপ।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad