রাশিয়ার সাথে নতুন করে শান্তি আলোচনা করতে চায় ইউক্রেন। কিয়েভ মনে করে গত মাসে আলোচনা থেমে যাবার পরেও নতুন করে যুদ্ধবিরতির সুযোগ রয়েছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি জানায়, রোববার সন্ধ্যায় এক ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শান্তি আলোচনার এ আহ্বান জানান।
দুই র্শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে শান্তি আনা সম্ভব বলে মনে করে কিয়েভ। এই আলোচনার প্রস্তাব সেদিনই এলো, যেদিন রাশিয়ার বোমা হামলায় ইউক্রেনের তিনজন নিহত হয়েছে।
শুক্র ও শনিবার ইউক্রেনের দশটি অঞ্চলসহ সাতটি শহরে অন্তত সাড়ে তিনশো ড্রোন ও ব্যালাস্টিক মিসাইল হামলা করে রাশিয়া। এই সম্পাহের শুরুতে ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর মাধ্যমে আরো অস্ত্র পাঠানোর কথা জানিয়েছিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শতভাগ ট্যারিফ আরোপ করে ৫০ দিনের মধ্যে রাশিয়াকে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে কিয়েভের সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা রুস্তম উমেরভকে রাশিয়ান প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। ইস্তাম্বুলে কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে ২ দফা বৈঠকের পরেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আকাঙ্খিত ফল আসেনি। তবে দেশ দুটি যুদ্ধবন্দি এবং নিহতদের মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে একমত হয়েছে।
দেশ দুটির প্রতিনিধিদের মধ্যে শেষ দফা বৈঠক হয় গত জুনের শুরুতে। সে বৈঠকে কিয়েভ এবং পশ্চিমা মিত্রদের চাওয়া শর্তহীন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখান করে ক্রেমলিন।
তবে রাশিয়ার দাবির মধ্যে ছিলো ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চল ছাড় দেয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি সরানো। সে দাবিতেও রাজি হয়নি জেলেনস্কি ও তার মিত্ররা।
ইতোমধ্যে ইউক্রেনের ২০ শতাংশ অঞ্চল দখলে নিয়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলটি ২০১৪ সালে রাশিয়া অধিগ্রহণ করে।


