কানাডার উত্তর অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক হুমকির ধরন উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে বলে বড় সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসনের পর থেকেই এই মেরু অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামরিক ঝুঁকি অগ্রসর হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে কানাডার সার্বভৌমত্ব ও আর্ক্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে তাদের প্রতিরক্ষা তৎপরতা জোরদার করছে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার আকাশসীমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ এবং ন্যাটোর নতুন কৌশলগত প্রতিরক্ষানীতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কানাডা সরকার সাবমেরিন ক্রয়সহ সামরিক ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মধ্যেই একটি ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।
উত্তর কানাডার বাসিন্দাদের ওপর পরিচালিত ওই জরিপে দেখা গেছে, স্থানীয়দের একটি বড় অংশ রাশিয়ার চেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই তাদের অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অন্যতম প্রধান হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের আগ্রাসী নীতি এবং আর্ক্টিক অঞ্চলের সীমান্ত ও খনিজ সম্পদের মালিকানা নিয়ে সম্ভাব্য বিরোধের আশঙ্কাই স্থানীয়দের এই উদ্বেগের মূল কারণ। জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ বাসিন্দা মনে করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পদ বা সীমান্ত নিয়ে যেকোনো বিতর্কে কানাডা সরকারের আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত।


