নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্মতি দিলে রোববারই ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তারেক রহমান এবং জাইমা রহমান এরইমধ্যে আবেদন করেছেন।
শনিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান ও তার মেয়ের আবেদন রোববার কমিশনের পেশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সব সদস্য সম্মতি দিলে আগামীকালই (রোববার) ওনারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জাইমা রহমান ভোটার নিবন্ধনের আবেদন সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘ওনারা আজ (শনিবার) ভোটার নিবন্ধন ফর্ম জমা দিয়ে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ এর ১৫ ধারা অনুযায়ী কমিশনের এখতিয়ার আছে- যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক বা ভোটার হওয়ার সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার করতে পারেন এবং সেই বিবেচনায় উনরা ঢাকার ১৯ ওয়ার্ডের ভোটার নিবন্ধন করেছেন।’
আখতার আহমেদ বলেন, ‘ওনাদের আবেদন কমিশনে পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত হলে জানা যাবে ওনাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা। নিবন্ধন শেষ করে গেছেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হলেও আমাদের প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে।’
তারেক রহমানকে ভোটার করতে পূর্ণ কমিশন বসবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশনের অনুমতি দুইভাবে পাওয়া যায়। একটা হচ্ছে আনুষ্ঠানিক সভা করে, আরেকটা হচ্ছে নথির মাধ্যমে। আমরা নথি উপস্থাপন করব নিষ্পত্তির জন্যে। কমিশন যদি বলে- তারা সভা করবেন, তাহলে সভা করবে। আর যদি মনে হয়, নথিতে প্রক্রিয়াজাত করে দেবে, তাহলে সেটিও করতে পারে। এটা তো কমিশনের এখতিয়ার। আমার দায়িত্বটা হচ্ছে কমিশন পর্যন্ত পৌঁছানো। এটা আগামীকাল করব।’
নিবন্ধন শেষ হতে কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওনাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস আইরিশ ম্যাচিং করতে হয়। এটি কনফার্ম হলে তাদের ভোটার বা এনআইডি নাম্বার দেওয়া হয়।’ এই প্রক্রিয়া শনিবারই শেষ হবে বলে আশা করেন ইসি সচিব।
এর আগে, দুপুর ১টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে গিয়ে তিনি আঙুলের ছাপ, আইরিশের প্রতিচ্ছবি আর বায়োমেট্রিক তথ্য দেন তারেক রহমান। এ সময় ইসি সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


