ঢাকার মধ্য বাড্ডায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মামুন শিকদার (৩৯) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বুধবার ভোর ৪টার দিকে মধ্য বাড্ডার কমিশনার গলির একটি টিনশেড বাড়ি থেকে মামুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ধারণা, মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে জড়িত কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।
এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন জানিয়ে বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসানুর রহমান বলেন, টিনশেড বাড়িটির নিচতলায় মরদেহটি পড়ে ছিল। তার থুতনির নিচে গুলির ছিদ্র রয়েছে। এরইমধ্যে নিহতের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার নাম পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মামুনের বাবার নাম আব্দুল মালেক শিকদার। বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আগলী গ্রামে। তবে এখনও তার পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলের পাশের একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া জানান, যে বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়েছে সেটি তার বাসা নয়। ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মূলত ‘মাদক ব্যবসায়ী’ লিটন। তিনি একাই ওই বাড়িতে থাকতেন তবে প্রায় প্রতিদিন বিকেলেই ওই বাসায় মাদকের আখড়া বসত। তবে স্থানীয় কেউই নিহত যুবককে চেনেন না।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মোটরসাইকেলে ওই বাসায় দুইজন লোক আসেন। এরপর ব্যাপক চিৎকার চেচামেচির শব্দ পাওয়া যায়। এরপরই সেখানে একটি গুলির শব্দ শোনা যায় এবং লিটন, রিপন, আবুল ও সোহাগ নামের চারজন তৎক্ষণাৎ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান।
পরে ওই স্থানীয় ভাড়াটিয়ারা ওই বাসায় ঢুকে দেখেন, ফ্লোরে রক্তাক্ত অবস্থায় নিহত ওই যুবক পড়ে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।


