জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে আলোচনায় আসা নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএম কবিরুল হক মুক্তি (৫৫) ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মোজাম্মেল হককে (৬৭) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
বুধবার ছয় দিনের রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর একই আদালত দুই আসামির ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ২
৪ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার নিকেতন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ।
মামলার নথিতে বলা করা হয়েছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর বেলা দেড়টার দিকে গুলশান থানার ডা. ফজলে রাব্বী পার্কের দক্ষিণ পাশে সেতুর ওপর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করে। সেখানে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়।
এ সময় রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালিয়ে জনমনে ভীতি ছড়ানো হয়। পরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহাবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।
কবিরুল হক মুক্তি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতীক নিয়ে জয়ী হন। পরে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামিদপুর ইউনিয়নের হাসিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি তিনি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।


