রাশিয়ার সোচিতে আয়োজিত চতুর্থ ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদকসহ চারটি পদক এবং একটি ‘অনারেবল মেনশন’ অর্জন করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয় বাংলাদেশ অ্যস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএএ)।
এসময় বিজয়ীরা তাদের রাশিয়া জয়ের গল্প তুলে ধরেন।
রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক জিতেছে যশোর পুলিশ লাইনস সেকেন্ডারি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মখদুম আমিন ফাহিম। রৌপ্য পদক পেয়েছে ঢাকার হীড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এ-লেভেল শিক্ষার্থী সপ্তর্ষি রহমান এবং আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রাদিত রাইয়ান।
ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. জুবায়ের হোসেন জিসান।
এছাড়া অনারেবল মেনশন অর্জন করেছে খুলনার সাউথ হেরাল্ড ইংলিশ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়ন্তন রায়।
বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান মশহুরুল আমিন।

রাশিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সিরিয়াস এডুকেশন সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড শুরু হয় গত ২১ সেপ্টেম্বর। এতে ২০টি দেশের ৯০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে বাংলাদেশি ছয় সদস্যের দল অংশ নেয়।
মশহুরুল আমিন বলেন, ‘এবার আমাদের দলের একজন স্বর্ণপদক পেয়েছে। বাকি পাঁচজনই কোনো না কোনো পদক পেয়েছে। এটা অনেক বড় অর্জন। তবে এখানেই শেষ না। আমরা চাই যারা পদক জয় করেছে তারা যেন ভবিষ্যতে অ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করে দেশের কল্যাণে অবদান রাখে।’
মৌলিক গবেষনায় এই শিক্ষার্থীরা আগ্রহ দেখালে অ্যাস্টোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন তাদের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড ন্যাশনাল কমিটির পরিচালক শাহপার আলম বলেন, “আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। তাদের এই সাফল্য আগামী প্রজন্মকে বিজ্ঞানের প্রতি আরও অনুপ্রাণিত করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাস্ট্রো অলিম্পিয়াডের জাতীয় কমিটির পরিচালক (একাডেমিক) ও কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রবিন ফকির ও পদকজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা।


