রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।
রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জেল আপিল করেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন।
এর আগে ৯ জুন রামিসা হত্যায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে এসে পৌঁছে। ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়।
জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯ মে সকালে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ফ্ল্যাটে পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যার শিকার হয় শিশু রামিসা। পরদিন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করে পুলিশ ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। একই দিনে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এবং মামলাটি বিচারের জন্য পাঠানো হয়।
১ জুন আদালত দুই আসামি, সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করে। পরদিনই অভিযোগপত্রভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়।


