রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুর মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পল্লবীর মিল্লাত ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর স্বপ্না আক্তার নামে এক প্রতিবেশী নারীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তার স্বামী সোহেল রানাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঘটনার পর তিনি পলাতক ছিলেন। পরে রাত ৮টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করা হয়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।’
পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করেন। তারা একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকেন। পাশের আরেকটি ভবনে পরিবার নিয়ে থাকেন সোহেল রানা, যিনি একটি রিকশা গ্যারেজে কাজ করেন। তার বাসায় শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
জানা গেছে, প্রতিবেশী হওয়ায় শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সোহেলদের পরিবারের পরিচয় ছিল। সকালে শিশুটিকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সোহেলের বাসা থেকে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শিশুটি কীভাবে বাসার বাইরে গিয়ে সেই বাসায় গিয়েছিল, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক টাইমসকে বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের সময় শিশুটি চিৎকার করলে তাকে হত্যা করা হয়।’
পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার রাত ৮টার দিকে জানান, সোহলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার স্ত্রীও পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। সোহেল রিকশা মেরামতের পর রঙ দেওয়ার কাজ করতেন। কী কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, সেটি বের করার চেষ্টা চলছে।


