রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির মধ্যে দুজনের সাজা বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাকি পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রোববার বিচারপতি জাফর আহমেদ এবং বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন, জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া।
হাইকোর্টে খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন, জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া। আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। পরদিন ১১ নভেম্বর রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার বিচার শেষে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই রায়ে আরও ছয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
পরে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে। এর পাশাপাশি আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করেন। এসব আবেদনের ওপর শুনানি শেষে রোববার রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের দেওয়া সাত মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে দুজনের সাজা বহাল রেখে পাঁচজনকে খালাস দিয়েছে উচ্চ আদালত।


