ঢাকার পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
তাদের একজন মো. মনির হোসেন ওরফে সোহেল ওরফে পাতা সোহেল এবং মো. সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজন (৩৫)।
মামলার আসামি মনির হোসেন এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী। মঙ্গলবার রাতে তাকে সাভার থানার বিরুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল। একই দিনে সন্দেহভাজন ও ১৮টি মামলার শীর্ষ ও পলাতক সন্ত্রাসী সুজনকে জিএমপির টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যেখানে বড় অংকের অর্থ লেনদেন হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা পেশাদার হত্যাকারী এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা মিরপুরকেন্দ্রিক গড়ে উঠা সন্ত্রাসীগ্রুপ ফোর স্টারের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বরের ‘সি’ ব্লক এলাকায় হত্যা করা হয় যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে কথা বলতে বলতে একটি স্যানেটারি সামগ্রীর দোকানে প্রবেশ করেন যুবদল নেতা কিবরিয়া। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দোকানের মূল দরজা দিয়ে প্রবেশ করেন হেলমেট পরা তিন ব্যক্তি।
দোকানে ঢুকেই পাঞ্জাবি পরিহিত এক ব্যক্তি গোলাম কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকেন। এসময় তিনি মাটিতে পড়ে যান। তখন চাদর জড়িয়ে থাকা আরেক ব্যক্তি কিবরিয়াকে আরও কয়েকটি গুলি করে দোকান থেকে বের হয়ে যান।


