বিজন নির্মাণ করেছেন ‘অ্যা থিং অ্যাবাউট কাশেম’। ছবিটি ‘এলএ ডাইভারসিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে’ পুরস্কৃত হয়েছে। এর অভিনয়শিল্পী ইন্তেখাব দিনার ‘সেরা অভিনয়শিল্পী’ এবং ‘সেরা পরিচালক’-এর পুরস্কার জিতেছেন বিজন।
নুহাশ হুমায়ূনের চিত্রনাট্যে স্বল্পদৈর্ঘ্যটি প্রযোজনা করেছেন আরিফুর রহমান। এটি নির্মিত হয়েছে গুপী বাঘা প্রোডাকশনের ব্যানারে। সহ প্রযোজনায় আছেন সাকিব ইফতেখার, নুসরাত আমিন সুপ্তি এবং ইমরান আহমেদ।
ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘রোড আইল্যান্ড আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ লেমলি গ্লেনডেল বিভাগে সাত দিনব্যাপী বিকেল চারটায় প্রদর্শিত হবে। দর্শকরা টিকেট কেটে ছবিটি দেখতে পারবেন।
ইন্তেখাব দিনারের পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যাপারে পরিচালক বিজন বলেন, ‘কেউ কেউ আছেন যাদেরকে আমরা মেথড অ্যাক্টর বলি, তারা চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করতে পছন্দ করেন। আবার এমন কিছু অভিনেতা আছেন যারা মুহূর্তে এতটাই উপস্থিত থাকেন যে তারা একটা সুইচ অন করার মতো করে মুহূর্তেই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যেতে পারেন। দিনার ভাই তেমনই একজন অভিনেতা।’
‘নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করি এই চলচ্চিত্রে তার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমি খুবই আনন্দিত যে বাংলাদেশে তিনি তার দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছেন এবং এই চলচ্চিত্রটি বিদেশী দর্শকদের কাছেও তার অভিনয় প্রতিভাকে দারুণভাবে তুলে ধরছে। প্রশংসা এবং পুরস্কার দুটোই তার প্রাপ্য।’
আমরা আমাদের গভীরতম দুর্বলতাগুলো, নিজেদের সম্পর্কে যে সত্যিগুলো মেনে নিতে পারি না, সেগুলোকে একটা তালাবদ্ধ বাক্সে ভরে চাবিটা ছুঁড়ে ফেলে দিই। এরপর আমরা ভুলে যাই যে এই গোপন উপলব্ধিগুলোর কোনো অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু যদি কোনোদিন আমাদের অজান্তেই সেই প্যান্ডোরার বাক্সটা খুলে যায়, তখন কী হবে? এটাই ‘অ্যা থিং অ্যাবাউট কাশেম’র মূল উপজীব্য।
ইন্তেখাব দিনার ছাড়াও অভিনয় করেছেন হাসনাত রিপন, মৌটুসী বিশ্বাস, তনুশ্রী চিত্রগ্রাহক এজাজ মেহেদী এবং পোশাক পরিকল্পক ইদিলা ফরিদ তুরিন। সাউন্ড ডিজাইনে ভারতের আনিস জন।


