যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির জানাজা সম্পন্ন

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির জানাজা সম্পন্ন
নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি | ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যার শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টায় টাম্পার একটি মসজিদে তার জানাজা হয়। এ সময় নাহিদা বৃষ্টির বন্ধু-বান্ধব, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা জানাজায় অংশ নেন।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জানান, নাহিদা বৃষ্টির জানাজায় মায়ামিতে বাংলাদেশের কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, জানাজা শেষে বৃষ্টির মরদেহ টাম্পার ফিউনারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানো হবে। এ সময় মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি অরল্যান্ডো বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

আগামী ৯ মে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে মরদেহবাহী বিমান ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানান, লিমন ও বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর সব ব্যয় বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।

আরও পড়ুন

এর আগে নাহিদা বৃষ্টির সঙ্গে হত্যার শিকার আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে ঢাকায় পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে লিমনের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা নিখোঁজ হন গত ১৬ এপ্রিল। ১৭ এপ্রিল এক পারিবারিক বন্ধু তাদের নিখোঁজের খবর দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ।

আট দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ২৪ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় লিমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে শুক্রবার ট্যাম্পা বে এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর দুই দিনের মাথায় ২৬ এপ্রিল ওই সেতুর কাছের একটি জায়গা থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস থেকে উদ্ধার করা মরদেহটি বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করা হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পরই সোয়াত টিম সন্দেহভাজন লিমনের রুমমেট, মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘারবিয়েহকে তার বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad