ধর্মের নামে চাঁদাবাজি ও লুটপাটে জড়িতদের বিরুদ্ধে জনগণ ভোটের মাধ্যমে কঠিন জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৬ আসন যদি চাঁদাবাজের আখড়া হয়ে থাকে, তার দায় বর্তমান সরকারের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সরকারের দায়িত্ব। আর যারা ধর্মের নামে চাঁদাবাজি করছে, লুটপাট করছে, ব্যাংক, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করেছে–আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের কঠিন জবাব দেবে।’
সোমবার ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘ঢাকার নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত ও সুষ্ঠু রয়েছে। অন্যান্য আসনেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় আছে। তবে কিছু দলের প্রার্থীর কুরুচিপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থী আমাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে রাজনীতি ও ভাষাগত শালীনতা শেখার আগে তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যাকে বিজয়ী করবে, তাকে আমরা মেনে নেব। কারণ আমরা জনগণের ক্ষমতায়নে ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।’
নির্বাচনী প্রচারে কোনো হুমকি আছে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বাঁচা-মরা মহান আল্লাহর হাতে। মৃত্যুকে মেনে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলাম। অনেক সহযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। আমরা মৃত্যুকে ভয় পাই না, গুলিকে ভয় পাই না।’
ঢাকা-৬ আসনের সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখানকার রাস্তাঘাট অত্যন্ত সরু এবং দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে চুরে গেছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ, সুয়ারেজ ও গ্যাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এসব কারণে এলাকা প্রায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এসব সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়, তবে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’


