একদল ব্যক্তি দাবি দাওয়া নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাওয়ার তাদের থামাতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। নিয়মতান্ত্রিকভাবেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের রাবার বুলেটে আহত হন।
এ ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আম্মারসহ অন্তত ২০ থেকে ২২ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তারা। পরে সে বিষয়ে ব্যখ্যা দেয় পুলিশ।
বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, ‘জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকা সত্বেও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’
এই ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং এতে কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি।’
সংঘর্ষের সময় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন বিক্ষোভকারীও সামান্য আহত হয় জানিয়ে পুলিশ জনসাধারণকে এ নিয়ে কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


