বাংলাদেশে স্থাপিত মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৬ মাসের মধ্যে আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদালত বুয়েটের প্রফেসর কামরুল হাসানের রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশে স্থাপিত মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ থেকে কী ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে, তা নির্ণয়ের জন্য গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করতে বলেছে।
মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মাধ্যমে মানুষ, পশু, পাখি, গাছপালা ইত্যাদির ক্ষতি হচ্ছে মর্মে মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলে, এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট দায়ের করে। আদালত বিটিআরসিকে মাঠ পর্যায়ে জরিপ করে বর্তমান মাত্রা কতটুকু কমানো যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
জনসমাগম স্থলে অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত পাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতে এ ধরনের টাওয়ার স্থাপন করা না হয়, গাইডলাইনে তা অন্তর্ভুক্ত করার কথা আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়।


