মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ইংল্যান্ড

মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ইংল্যান্ড
ছবি: এক্স
Advertisement
Advertisement

ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে দাপট দেখাল প্রকৃতি। বিরূপ পরিবেশের কারণে ম্যাচ শুরু হলো এক ঘণ্টা পরে। এরপর বল দখলের লড়াই থেকে আক্রমণ–পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখাল মেক্সিকো। কিন্তু কাজের কাজটা করতে পারল না তারা। বিপরীতে, স্বল্প সুযোগের সদ্ব্যবহার করল ইংল্যান্ড। কার্যকর আক্রমণ আর ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংসে মেক্সিকোর স্বপ্ন ভেঙে জয় তুলে নিল থ্রি-লায়ন্সরা।

সোমবার মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড আর মেক্সিকো। দারুণ লড়াই শেষে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড।

শুরু থেকেই বাম দিক দিয়ে দ্রুত আক্রমণ গড়তে থাকে মেক্সিকো। উইং দিয়ে কাট-ইন করে একের পর এক শট নেয় তারা। ডান দিক থেকেও ক্রস তুলে ইংল্যান্ডের বক্সে চাপ তৈরি করে তারা। তবে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডাররা সংগঠিত থেকে বেশিরভাগ আক্রমণ ঠেকিয়ে দেয়।

ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে মেক্সিকোকে প্রথম ধাক্কা দেয় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠ থেকে বল কাড়ার পর দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ডান দিক দিয়ে উঠে আসেন জুড বেলিংহ্যাম। বক্সের ভেতরে ঢুকে নিচু শটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। মাত্র দুই মিনিট পর ৩৮তম মিনিটে আবারও একই দৃশ্য। এবার মাঝ দিয়ে ঢুকে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে জোড়া গোল করেন বেলিংহ্যাম।

এরপর ৪২তম মিনিটে মেক্সিকো ফিরে আসে ম্যাচে। বাম দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে ক্রস আসে বক্সে। সেখান থেকে কুইনোনেস কাছ থেকে শট নিয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ইংল্যান্ডের গোলকিপার বল ছুঁতে পারলেও ঠেকাতে পারেননি।

আরও পড়ুন

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৪তম মিনিটে ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার কুয়ানসাহ বিপজ্জনক ট্যাকলের জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে ১০ জনের দলে নেমে আসে ইংল্যান্ড।

৬০তম মিনিটে আবারও গোল করে ইংল্যান্ড। দ্রুত কাউন্টার অ্যাটকে বক্সে ঢুকে ফাউলের শিকার হন এক ফরোয়ার্ড। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে হ্যারি কেইন ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন।

৬৯তম মিনিটে পেনাল্টি পায় মেক্সিকোও। বক্সে ইংলিশ ডিফেন্ডারের হ্যান্ডবলের কারণে এই সুযোগ আসে তাদের। রাউল হিমেনেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান।

শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় মেক্সিকো। বাম ও ডান দুই দিক থেকেই ক্রস তুলে, লং শট নিয়ে চাপ তৈরি করে। তবে ইংল্যান্ডের গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলকে বাঁচান। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে এক হেডার সেভ করে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad