চীনের তিব্বতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ৬৫ জন।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে একথা জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের উত্তরাঞ্চলের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ উচ্চভূমির শহর নাগচু। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প এটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, উদ্ধার ও জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় নাগচুতে ৩০০ জনের বেশি পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ বিভাগের সদস্যরাও রয়েছেন। শুক্রবার ভোরে বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ উইচ্যাটে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছে নাগচু পুলিশ বিভাগ।
পুলিশ সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শনের পাশাপাশি বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহায়তা করছেন। পুলিশের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে অন্ধকারের মধ্যে ট্রাকে ত্রাণসামগ্রী তুলতে এবং টর্চের আলোয় একটি ভবন ও ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করতে দেখা গেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পর ১২ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় সরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিওতে বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে বাইরে কিংবা রাস্তায় রাখা গাড়িতে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।
চায়না ভূমিকম্প নেটওয়ার্কস সেন্টারের এক পোস্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির পর এ পর্যন্ত ৪১৩টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালে প্রতিবেশী ছিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জন নিহত হন। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ হন।


