একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরাম হোসেনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ টাইমস অব বাংলাদেশকে তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খান আকরামের আপিল গ্রহণ করা হয়েছে, তিনি খালাস পেয়েছেন।’
এর আগে বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ মামলায় রায়ের দিন ধার্য করে। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে ২০১৪ সালের জুনে গ্রেপ্তার হন বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেন। ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়।
এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন খান আকরাম।
আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরামের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়েছিল, আসামি আকরাম তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
আকরামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার শাঁখারীকাঠি বাজারে একসঙ্গে ৪২ জনকে হত্যা, বাজার লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে। এই নৃশংসতা শাঁখারীকাঠি গণহত্যা নামে পরিচিত।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হলে ২০০৯ সালে নিমাই চন্দ্র দাস নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি রাজাকার আকরাম হোসেন খান ও আবদুল লতিফ তালুকদারসহ ২০ থেকে ৩০ জনের বিরুদ্ধে বাগেরহাটের আদালতে মামলা করেন।


