‘মানবতাবিরোধী অপরাধে’ ১৫ সেনা কর্মকর্তা ‘হেফাজতে’

‘মানবতাবিরোধী অপরাধে’ ১৫ সেনা কর্মকর্তা ‘হেফাজতে’
সেনা সদরের সংবাদ সম্মেলনে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

‘গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধে’ জড়ানোর অভিযোগে সেনাবাহিনীর যে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৫ জনকে ‘হেফাজতে’ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সেনা সদর।

শনিবার সেনা সদরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয় হয়। এর আগে, সেনাবাহিনীর ওই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন মহল।

গত আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিভিন্ন জনকে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দুই মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়ে বুধবার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এদের মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তা ‘হেফাজতে’ নেওয়ার কথা জানাল সেনা সদর।

সংবাদ সম্মেলনে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, ‘দুই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ৯ জন অবসরপ্রাপ্ত, একজন এলপিআরে গেছেন এবং বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১৫ জন।‘

আরও পড়ুন

৮ অক্টোবর চার্জশিট দাখিলের পর এলপিআর ও সার্ভিসে থাকা ১৬ জনকে সেনাসদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৯ অক্টোবরের মধ্যে তাদের আসার জন্য নোটিস দেওয়া হয়।

মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ছাড়া বাকি ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয় এবং তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা পরিবার থেকে আলাদা রয়েছেন, যোগ করেন তিনি।

সিটিআইবি ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক কবীর আহাম্মদের বিষয়ে মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, ‘তিনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।’

হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের নাম সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়নি। মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, ‘এই সেনা কর্মকর্তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।‘

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর