এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা সেল থেকে ছড়ানো গুজবকে অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে দুদকের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সাত মাস আগে আওয়ামী লীগের ‘দোসররা’ আসিফ মাহমুদকে নিয়ে যে গুজব ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়েছিল, দুদক সেটিই অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তার দাবি, এর মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহনন ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে দুদককে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দুদককে ব্যবহার করে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানি করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর তাই দুদকের আমূল সংস্কারের দাবি ওঠে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে দুদক চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি উপেক্ষিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘দুদককে দলীয়করণের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে হয়রানি ও দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পুরোনো পথেই ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
নাহিদ ইসলামের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি বন্ধ করে জুলাই সনদের আলোকে স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হলে যেকোনো অভিযোগের মুখোমুখি হতে এবং সুষ্ঠু তদন্তে এনসিপি পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’


