কক্সবাজারের মহেশখালীতে মো. শের আলী হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের আসামির নাম আজিজুর রহমান (২৪)। তিনি মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের সাপমারা ডেইল এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক ও পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
এতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার ডিএমপির রমনা থানা এলাকা থেকে র্যাব-১৫ ও র্যাব-৩ এর যৌথ অভিযানে বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে আজিজুরকে ডিএমপির খিলগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি স্মার্ট ফোন, একটি এটিএম কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং নগদ চার হাজার ১৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, অভিযুক্ত আজিজুরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার পর থেকেই র্যাব-১৫ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এ সময় তিনিসহ মামলার অন্য আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার র্যাব-১৫ ও র্যাব-৩ এর যৌথ দল ঢাকার মৎস্য ভবন চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামার ৩ নম্বর আসামি আজিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৬ নভেম্বর বিকালে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে মহেশখালীর বাসিন্দা মো. শের আলীর ওপর অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালান আজিজুর ও তার সঙ্গীরা। ভুক্তভোগী শের আলী এসময় সাপমারা ডেইল জামে মসজিদে আসরের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।
হামলাকারীরা কিরিচ, দা, ছোরা, লোহার রড, হাতুড়ি ও লাঠি-সোটা দিয়ে শের আলীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে গত ২ ডিসেম্বর অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
একইদিন নিহত মো. শের আলীর ছেলে বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


