ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য আনা একটি মরদেহ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের শিকার মরদেহটি এক যুবতীর (২০) বলে জানা গেছে।
এ অভিযোগে পুলিশ মো: আবু সাঈদ (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত সাঈদ ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল আদালতে বুধবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো: আবু সাঈদ হালুয়াঘাট থানা পুলিশের মরদেহ বাহক হিসেবে কর্মরত ছিল। এর আগে, সোমবার দুপুর দেড়টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ১৯ অক্টোবর হালুয়াঘাট ঘোষবেড় গ্রামের এক যুবতী আত্মহত্যা করে। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সেখানে সুযোগ বুঝে আবু সাঈদ ওই মরদেহটি ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মরদেহের যৌনাঙ্গে ধর্ষণের আলামত পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশকে জানান।
হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষণের সত্যতা জানতে পেরে মঙ্গলবার মরদেহ বহনকারি আবু সাঈদকে হালুয়াঘাট পৌর পাঠাগার মোড় থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শিবিরুল ইসলাম জানান, এব্যাপারে হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল মিয়া বাদি হয়ে অভিযুক্ত আবু সাঈদকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় আসামিকে বুধবার আদালতে পাঠানো হলে আবু সাঈদ স্বীকারোক্তিমূলক জবাবনবন্দি দিয়েছে। পরে তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


